Header Ads

ad728
  • Breaking News

    কলহমুক্ত আওয়ামী লীগ দেখতে চান ওবায়দুল কাদের

    দলের মধ্যে কোনো রকম কলহ দেখতে চান না বলে নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ারি  দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের অস্তিত্বের জন্য ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। আমি কারও অন্ধ সমর্থক নই। যারা কাজ করে আমি তাদের পক্ষে। নোয়াখালীর স্বার্থে, রাজনীতির স্বার্থে আমার ভাই আব্দুল কাদের মির্জা ও সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীকে ক্ষমা করে দিয়েছি। নোয়াখালীতে আমি কোনো কলহ রাখতে চাই না। আমি কলহমুক্ত আওয়ামী লীগ দেখতে চাই।’

    সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা করেন। 

    মন্ত্রী বলেন, ‘নোয়াখালী আমার মায়ার শহর। আমার কলেজ জীবন কেটেছে এই শহরে। বাঁশের বেড়া ও টিনের ছাদের ঘরের হোস্টেলের রুমে আড়াই বছর কেটেছে। তখন আইয়ুব খানের এনএসএফ দ্বারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। আমার গায়েও লাঠির আঘাত লেগেছে।’

    নিজের প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আওয়ামী লীগের এই নেতা। বলেন, ‘স্কুল শিক্ষকের ছেলে ১৬ বছর ধরে মন্ত্রী। চট্রগ্রাম থেকে আওয়ামী লীগের মতো পার্টির সাধারণ সম্পাদক আর কেউ হয়নি। আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে ঋণী। বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহানার কাছে ঋণী। জেলে থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছি। শেখ হাসিনার হাত ধরে উঠতে উঠতে আজ এত উপরে উঠেছি। ১৬ বছর ধরে মন্ত্রী থাকার সৌভাগ্য এ দেশে আর কারও নেই।’

    ‘খেলা হবে’ স্লোগান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে স্লোগান মির্জা ফখরুলের পছন্দ না। আরও কারও কারও পছন্দ না। কিন্তু যে স্লোগান জনগণ পছন্দ করে সেই স্লোগান আমি দিয়েই যাব। খেলা হবে। এই স্লোগান সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করছে।’

    বিনপিকে উদ্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, “বিএনপি বিআরটিসির বাস পুড়িয়েছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে শেখ হাসিনার ভিত্তি প্রস্তর রাতের অন্ধকারে পুড়িয়েছে। তারা আগুন-লাঠি নিয়ে ঢাকা আসবে, এ জন্য তারা পার্টি অফিসের সামনে সমাবেশ করতে চায়। বিশাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ফখরুল সাহেব বলেন ‘খাঁচা’। তারা নাকি আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজপথ ও ঢাকা দখল করবেন। ফখরুল সাহেব আমি বলতে চাই, আমাদের নেতাকর্মীরা মহানগর, জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় পাহারায় থাকবে।”

    নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম। সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র সহিদ উল্যাহ খান সোহেল।

    সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বেগম ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ, সদস্য সংসদ এইচ এম ইব্রাহিম, মোরশেদ আলম, মামুনুর রশীদ কিরণ, একরামুল করিম চৌধুরী, আয়েশা ফেরদাউস প্রমুখ।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728