বগুড়ার শিবগঞ্জে বিয়ের কয়েক ঘন্টা পরই নব-দম্পতি আত্মহত্যা
মোঃ নজরুল ইসলাম জাকিঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রেম করে বিয়ের কয়েক ঘন্টা পরেই নব-দম্পতি আত্মহত্যা করার ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসছে। তবে তাদের দীর্ঘদিনের ভালোবাসার পর প্রেম করে বিয়ে করে পরে পরিবারের চাপে এই নব-দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন। তাদের দীর্ঘদিনের ভালোবাসার শেষ পরিণয় ঘটলো জীবন দিয়ে। সোমবার (২১ মার্চ) রাত ১০ টার দিকে মাঝিহট্ট ইউনিয়নের দামগারা কারিগর পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যাকারী নব-দম্পতিরা হলেন- মাঝিহট্ট ইউনিয়নের দামগারা কারিগর পাড়ার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মোঃ সবুজ (২১) ও পাশের গ্রামের মাসিমপুর চালুঞ্জা তালুকদারপাড়া মোঃ রাজ্জাকের মেয়ে মার্জিয়া জান্নাত (১৯)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে দিনমজুর সবুজের সাথে কলেজ ছাত্রী জান্নাতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রায় ছয় মাস আগে প্রথম তারা পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করেছিল। জান্নাতের পরিবার ঘটনাটি জানার পরে তাৎক্ষণাতভাবে তাদের তালাক করায়। এরপর চলতি মাসে প্রায় ১৫ দিন আগে স্থানীয় এক প্রবাসী যুবকের সাথে মুঠোফোনে জোরপূর্বক জান্নাতের বিয়ে দেয় পরিবার। তবে সেই বিয়েতে জান্নাত কোন ভাবেই সম্মত ছিলনা।
তাই সোমবার জান্নাত ও সবুজ আবারও পালিয়ে গিয়ে সন্ধার দিকে বিয়ে করেন। প্রেমের বিয়ে আবারও জান্নাতের পরিবার মেনে না নেয়ায় সবুজ তার নববধূকে নিয়ে নিজ বাড়িতে আশ্রয় নেন। রাত্রিতে জান্নাতের পরিবার জান্নাতকে সবুজের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক নিয়ে আসে৷ রাতে নব-দম্পতি মুঠোফোন কথা বলতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। রাত ১০ টার দিকে জান্নাত তার স্বামী সবুজকে মুঠোফোনে রেখে হঠাৎ কীটনাশক পান করেন। মুঠোফোন চালু থাকায় সবুজ বুঝতে পারেন জান্নাত আর বেঁচে নেই। এরপরেই তিনি নিজ ঘরে সেলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।
শিবগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন জানান, নব-দম্পতি প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন। তাদের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শেষ পরিণয় ঘটলো জীবন দিয়ে।
তাই সোমবার জান্নাত ও সবুজ আবারও পালিয়ে গিয়ে সন্ধার দিকে বিয়ে করেন। প্রেমের বিয়ে আবারও জান্নাতের পরিবার মেনে না নেয়ায় সবুজ তার নববধূকে নিয়ে নিজ বাড়িতে আশ্রয় নেন। রাত্রিতে জান্নাতের পরিবার জান্নাতকে সবুজের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক নিয়ে আসে৷ রাতে নব-দম্পতি মুঠোফোন কথা বলতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। রাত ১০ টার দিকে জান্নাত তার স্বামী সবুজকে মুঠোফোনে রেখে হঠাৎ কীটনাশক পান করেন। মুঠোফোন চালু থাকায় সবুজ বুঝতে পারেন জান্নাত আর বেঁচে নেই। এরপরেই তিনি নিজ ঘরে সেলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।
শিবগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন জানান, নব-দম্পতি প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন। তাদের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শেষ পরিণয় ঘটলো জীবন দিয়ে।
.png)
কোন মন্তব্য নেই