হেলাতলা ইউনিয়নের প্রকৃত খামারিরা বঞ্চিত আশরাফ আলী নাটু বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ
জেলা প্রতিনিধি ঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের প্রাণী সম্পাদ অফিসের(এলএসপি) কর্মী আশরাফ আলী নাটুর বিরুদ্ধে করোনাকালীন অনুদান আত্মসা সহ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রকল্পের আওতায় "গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ খামারি প্রশিক্ষণ" এর চলমান প্রশিক্ষণের স্বজনপ্রীতি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। হেলাতলা ইউনিয়নের ৭,,৮,৯ নাম্বার ওয়ার্ডের সাধারণত বাসিন্দা এই বিষয়ে একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ থেকে জানা যায় ২০১৯ এবং ২০২১ সালের অনুদানের টাকা খামারিদের ভুল বুঝিয়া তিনি আত্মসাৎ করেন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাখে সাধারণ খামারিরা। শনিবার অনুসন্ধানে ৯নং হেলাতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে প্রকৃত খামারিরা বঞ্চিত হচ্ছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে। সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত আশরাফ আলী নাটু প্রকৃত খামারিদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা না দিয়ে দিচ্ছেন আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে তার প্রমাণও মিলেছে। শনিবারের অনুসন্ধানে উঠে আসে চলমান"গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ খামারি প্রশিক্ষণ" প্রকল্পের হেলাতলা ইউনিয়ন থেকে ৬ জনের নাম দিয়েছেন আশরাফ আলী নাটু যার ৪ জন তার নিজ গ্রামে ঝাঁপাঘাট এর বাসিন্দা দুজন নেয়া হয়েছে পার্শ্ববর্তী গ্রাম থেকে। সরকারি নিয়ম হিসেবে খামারি পাওয়া গিয়েছে একজনকে বাকি ৫ জনের মধ্যে সবারই গরুর রয়েছে ২ থেকে ৩ টা। প্রকল্পের তালিকার মোবাইল নাম্বার গুলোতে ফোন দিয়ে জানা গিয়েছে বেশিরভাগই ফোন নাম্বার ভুল মোবাইল নাম্বার দিয়েছেন নিজের মন মত। প্রকল্পে পাওয়া গিয়েছে তার আত্মীয়স্বজন কেউ ভাবি, ভাগ্নে বউ, প্রশিক্ষণের রেখেছেন তিনি যদিও বা তারা প্রকৃত খামারি নয় ২টি থেকে ৩ টি গরুর মালিক। এ বিষয়ে হেলাতলা ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মাজেদের সাথে কথা বললে তিনি জানান, প্রকৃত খামারি সুবিধা পাচ্ছে না এটা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের (এলএসপি) আশরাফ আলী নাটু সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান প্রকল্পের তালিকাটি এক বছর আগে হয়েছিল সেখানে কয়টি গরু হলে একজন খামারি হিসেবে ধরা হবে এখানে বলা হয়নি প্রকৃত খামারি সুবিধা পাচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান তার হিসেবে এরাই প্রকৃত খামারি। আত্মীয়-স্বজনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি নিজে তো আর সুবিধা নিচ্ছি না। এ বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তা অমল কুমার সরকারের সাথে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের জানান তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত হচ্ছে বিষয়টি পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।
কোন মন্তব্য নেই