বগুড়ার শেরপুরে আগুনে পুরে ছাই হলো দোকান ও বসতবাড়ি
আজ রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সোয়া এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় রাত নয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানান, শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ওই দোকান ও বাড়ির মালিক অশোক সরকার। তিনি নওগাঁয় আত্মীয়ের বাড়িতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। বসতবাড়ি থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে কি না, বাড়িতে কেউ না থাকায় কেউ টের পাননি। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয় লোকজন উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
দুজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে অন্তত ১০ মিনিট পানি ঢালার পর তাঁদের পানির সংকট দেখা দেয়। পরে অন্তত ২০ মিনিট আগুনে পুড়তে থাকে ওই দোকান ও বসতবাড়ি। শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা নাদির হোসেন বলেন, স্থানীয়ভাবে পানি না পাওয়ায় তাঁদের বিকল্পভাবে দূর থেকে পানি সংগ্রহ করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে হয়েছে। রাত নয়টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডে একটি দোকান ও একটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনে অন্তত ১২ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে পাশের গোবিন্দ সাহা ও চন্দন বসাকের বাড়িতেও। আগুনে ওই দুই বাড়ির পেছনের কিছু অংশ পুড়ে যায়।
রামচন্দ্রপুর মহল্লার দুজন বাসিন্দা বলেন, ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কসমেটিকসামগ্রী বিক্রি হতো। সেখানে আগুন লেগে পুরো দোকান দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল ইসলাম ও আমজাদ হোসেন বলেন, আগুন দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়ি থেকে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অন্তত এক ঘণ্টা পানি ঢালার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শেরপুর পৌরসভার মেয়র জানে আলম বলেন, আগুনে ওই দোকান ও বসতবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
কোন মন্তব্য নেই