Header Ads

ad728
  • Breaking News

    ৩৭ কৃষকের ঋণ মামলা : মাঠপর্যায়ে তদন্তে কমিটি

    পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩৭ কৃষকের নামে ঋণখেলাপির মামলায় গঠিত কমিটি কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদন্তের কাজ শুরু করেছে।

    সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার ভাড়ইমারী গ্রামে আব্দুস সামাদের বাড়িতে কয়েকজন ঋণগ্রহীতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তদন্ত কমিটি।

    কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের ডিজিএম (পরিদর্শন) আহসানুল গণি। অন্য সদস্যরা হলেন ব্যাংকটির উপব্যবস্থাপক (পরিদর্শন ও আইন) আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রকল্প ঋণ) আমিনুল ইসলাম রাজী। 

    তারা গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি।

    কমিটিপ্রধান বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। এ ব্যাপারে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা রয়েছে।’

    ২০১৬ সালে সমবায় ব্যাংক থেকে ঈশ্বরদী উপজেলার ভাড়ইমারী গ্রামের ৪০ জন কৃষক ১৬ লাখ টাকা ঋণ নেন। কৃষকদের মধ্যে কেউ ২৫ হাজার এবং কেউ ৪০ হাজার টাকা করে ঋণ নেন। তাদের ঋণ নেয়ার মাধ্যম ছিল ভাড়ইমারী উত্তরপাড়া সবজি চাষি সমবায় সমিতি। সেই ঋণ ও লভ্যাংশ পরিশোধ না করার অভিযোগে ২০২১ সালে ৩৭ জন কৃষকের নামে মামলা করে ব্যাংকটি। সম্প্রতি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গত ২৫ নভেম্বর ১২ জন কৃষককে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ২৭ নভেম্বর পাবনার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত গ্রেপ্তার ১২ জনসহ ৩৭ কৃষকের জামিন মঞ্জুর করেন।

    ঘটনা তদন্তে ২৮ নভেম্বর তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে সমবায় ব্যাংক। তারা রবিবার (৪ ডিসেম্বর) পাবনা জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন ও ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক কাজী জসিম উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে তদন্ত শুরু করেন।

    তদন্ত কমিটির কাছে ভাড়ইমারী উত্তরপাড়া সবজি চাষি সমবায় সমিতির সভাপতি বিলকিস নাহার বলেন, ‘ব্যাংকের মাঠকর্মীরা এসে কৃষকের কাছ থেকে কিস্তি গ্রহণ করেছেন। এ কিস্তির টাকা মাঠকর্মীরা ব্যাংকে জমা দিয়েছেন কি না আমি জানি না। ব্যাংকটি আমার বিরুদ্ধেও চেক জালিয়াতির একটি মামলা করেছে। সেই মামলায় নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছি।’

    কয়েকজন সদস্যও তদন্ত কমিটির সামনে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    আব্দুস সামাদ তার সাক্ষ্যে বলেন, ‘সব টাকা পরিশোধ করেছি। তার পরও কেন আমাকে তিন দিন কারাগারে থাকতে হলো। এর দায়ভার ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। হয়রানির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

    আরেক কৃষক আব্দুল হান্নান ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন জানিয়ে বলেন, ‘লভ্যাংশসহ ঋণ পরিশোধ করেছি। তার পরও কারাগারে যেতে হয়েছে। এ জন্য ব্যাংক কর্মকর্তারা দায়ী। আমরা যদি ঋণ পরিশোধ না করে থাকি তবে কেন আমাদের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ পাঠানো হলো না?’

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728